All posts filed under: Photologue

Photologue: Murti – I

ডুয়ার্সের গরুমারা ন্যাশনাল পার্কের নিকটবর্তী হিমালয়ের পাদদেশের ছোট্ট প্রাকৃতিক শোভাবেষ্টিত অঞ্চল মুর্তি। মুর্তির নামকরন এখানকার মুর্তি নদীর নামানুসারে। এখানকার সৌন্দর্য্য এখানের ঘন জঙ্গল, বন্য প্রানী, এখানের চক্‌চকে্‌ নদীর জল এবং সরলমনা মানুষের জন্যই হয়ে আছে। মুর্তির পরিষ্কার হাওয়া, দূষনমুক্ত পরিবেশ, অনাবিল নিস্তব্ধতা যেকোন ভ্রমন-পিপাসু মানুষকেই কাছে টানবে। শহরের জ্যামজটের থেকে দূর কিছুদিনের অগোচর জীবনযাপন, যেকোন মানুষকেই স্বস্তির নিশ্বাস দেবে।

Photologue: Sandakphu – VI

গুরদুমের পরবর্তী দিন, আরো নিচে নামার পালা, এদিনের গন্তব্য শ্রীখোলা (যদিও দূরত্ব অনেক কম, ৬ কিমি)। সকাল হতে ধীরে সুস্থে আমরা পাড়ি দিলাম। কোন তাড়া ছিল না এদিন, কম দূরত্বের জন্যে। আগের দিনের ক্লান্তি এখন অনেক হালকা হলেও পাহাড়ি পথের চড়াই ওতরাই পায়ের মাংসপেশীর মধ্যে আবার টান দিতে শুরু করল। তবে আগের দিনের মত মুহূর্মুহূ ভাঙা ওতরাই এদিনে আর তেমন ছিল না। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে বিভিন্ন ছোট ছোট নেমে আসা ঝর্ণাকে পাশে রেখে, নানান গাছগাছালি সম্বন্ধে জানতে জানতে সকলেই মোটামুটি খোস মেজাজেই এগিয়ে চললাম। পিটারের মাঝে মধ্যেই সাবধানবানী আমাদের আরো পথ চলতে সাহায্য করছিল – বসবেন না, বসবেন না চলতে থাকুন – বসলেই আরো কষ্ট হবে হাঁটতে। এবং একটা সময়ে (দুপুরের আগেই!) আমরা গিয়ে পৌঁছলাম আমাদের গন্তব্য শ্রীখোলায়। অস্বীকার করব না, হঠাত চলে আসায় কেমন একটু আশাহত হলাম। শরীর এবং মন যেন তৈরী হয়ে ছিল আরো চলবার জন্য, আরো একটু কষ্ট করার জন্যে। নিজেদের ঝোলাঝুলি ফেলে আমরা বেরিয়ে পড়লুম আশেপাশে সন্ধানী চোখে, কিছু সন্ধানের আশায় (অবশ্যই এই ক্ষেত্রে এখানের প্রাকৃতিক রূপরেখা)। অদুরবর্তী একটি ঝোলা ব্রিজ। মনটা বড়ই আলহাদিত হয়ে গেল (বলতে পারি) ঃ) দুপুরের খাওয়া …

Photologue: Sandakphu – V

সকালে ঘুমটা যে একটা ভালো ভাঙল তা বলব না, তবে বেটার বোধ করছিলাম আগের রাতের থেকে। আমার প্রতিবেশীকে দেখলাম না, বোধহয় বেরিয়ে পড়েছে সকাল সকাল। ঘরের একমাত্র জানলা প্ল্যাস্টিক দিয়ে ঢাকা থাকায় বাইরেটা ঠিক বুঝলাম না, তবে রাতের সেই ঝড়ের দাপট আর নেই, শান্ত এবং ঠান্ডা। পেটের টান থাকায় আমি প্রাতঃকর্মের জন্য বেরিয়ে এলাম। লম্বা করিডরটা নিস্তব্ধ, পরিত্যক্ত। লোকজন এখনও সেভাবে ওঠেনি, অথবা যে যার খোলের মধ্যে এখনও আস্তানা নিয়ে আছে। করিডরের ঘষা প্ল্যাস্টিকের বারান্দা দিয়ে আলো এসে পড়ছে, করিডরটাকে যেন আরো মলিন আর একাকী করে তুলেছে। শমীকরা এখনও ওঠেনি। বাথরুমটা ছিল ঢোকার রাস্তার দিকে, আমি নিজেকে কোনরকমে গুটিয়ে এগিয়ে চললাম তার দিকে।

Photologue: Sandakphu – IV

আমি অ্যাকাউন্টস, অয়ন রুম ম্যানেজার এবং খাবারের অর্ডার, শমীক সকালের অ্যালার্ম এবং জল পরীক্ষক (basically Ziolin ছাড়া জলের পরিপন্থী) – মোটামুটি এই হয়ে গেছে আমাদের এখনকার রোল, সবার। তো এবারেও তার কিছু পরিবর্তন হল না, শমীক সকাল সকালি তুলে দিল আমাদের দু’জনকে। কম্বল ছেড়ে বেরিয়ে আসাটা প্রবলেম হয়ে গেছিল এমন ভোরে।

Photologue: Sandakphu – III

05.21.2011 সকালে আমরা একটু দেরী করেই উঠলাম। আগের রাতে পিটারের সাথে কথা হয়ে গেছিল একটু দেরী করে বেরলেই হবে, ৯টা নাগাদ। তাই সকালে তাড়াতাড়ি ওঠার তাড়া ছিল না, আর এরম একটা জায়গায় ভোরবেলায় কম্বলমুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকার মত সুখ আর কিছু হ্য় না। এমনকি কম্বলের নিচে থেকে আমার ভোরবেলার ছবি তোলার ইচ্ছাও আমি নিজেই খারিজ করে দিলাম। খুব ভোরে একবার উঠতে হয়েছিল প্রকৃতির টানে, দিনের আলো তখনও ভালো করে ফোটেনি, ঠান্ডায় ঠকঠক করতে করতে দোতলার বাথরুমটা খুঁজে কোনরকমে সেরে আবার সটান এসে কম্বলের তলায় আশ্রয় নিয়েছি। শীতের ঠান্ডায় তক্তপোষও সুমধুর লাগে।

Photologue: Sandakphu – II

05.20.2011 সকালে যখন ঘুম থেকে উঠলাম বাইরে তখন রোদ ঝলমলে দিন। বাংলোর চারিদিকে ঘিরে থাকা গাছপালা থেকে কিচ্‌-কিচ্‌ করে পাখির কলতান ভেসে আসছে। আমরা একটু হয়তো বেশীই ঘুমিয়ে নিয়েছিলাম, তারপর দুদ্দাড় করে উঠে পড়তে হল শমীকের তাড়া খেয়ে। ন’টার সময় গাড়ি আসবে, তারি মধ্যে খেয়েদেয়ে নিয়ে আমাদের তৈরি হতে হবে।

Photologue: Sandakphu – I

ঠিক হয়েছিল কিছুটা আচমকা ভাবেই, বা বলা যায় খুব কম চিন্তা-ভাবনার মধ্যে দিয়ে মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে। শুধু মোটামুটি জানতাম ট্রেক রুট্‌টা কি, কিছু necessary information like পোর্টার কোথায় পাওয়া যায়, ট্রেকের ওয়ে-পয়েন্টস কি, কিছু তথ্য বাকি আন্দাজ IndiaMike ঘেঁটে। আমরা তিনমূর্তি, মোটামুটি সকলেই আনকোরা ট্রেকের ব্যাপারে, কিন্তু বুকে অফুরান্ত উৎসাহ আর উদগ্র বাসনা একটা ট্রেক করবার – এই ছিল আমাদের সম্বল। অনলাইন আর্টিকেল ঘেঁটে এইটুকু বুঝেছিলাম যে শুরু হিসাবে সান্দাকফু একটা ভালো অপশ্‌ন হতে পারে, যেটা আমাদের রিচে্‌র মধ্যেও আছে, অতোটা কঠিনও নয়, আর অনেক new-comer ই করে থাকে। তাই মনে অনেক আকাঙ্খা আর উৎসাহ নিয়ে আমরা এই ট্রেকের পরিকল্পনা করতে শুরু করলাম। সে সময় উৎসাহ এতটাই ছিল যে আমরা সান্দাকফুর-ও ওপরে ফালুট পর্য্যন্ত যাবার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম।

Don’t tell my Mother – VII Ladakh’12

08.31.2012 06:15 Its true, sometime it only require a little push, to get the job done. অামার ক্ষেত্রেও only একটু encouragement -এর হয়তো দরকার ছিল, অার সেটা করে দিলেন চাচাজী । মাঝে মাঝে এরকম হয়না যে যখন সবকিছু ডুবে থাকে গভীর অবসাদের মধ্যে, কেউ উদয় হয় – পথপ্রদর্শকের মতো । অামার ক্ষেত্রে চাচাজী ছিলেন।

Don’t tell my Mother – VI Ladakh’12

19:27 এখানে কারনেই সন্ধ্যে অনেক দেরিতে হয় – উচ্চতা । 19:30 is almost now, অার বাইরে এখনো দিনের ক্ষীণ অালো অাছে । অাজকে মোটামুটি অালসেমীর মধ্যেই দিন কাটলো । বিকালে মান সিংহের সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে কিছু প্ল্যান ফিট করলাম । রুমের বাকি পয়সা মিটিয়ে দিলাম, মান সিং মঙ্গলবার নিজের বাড়ির জন্য বেরিয়ে যাচ্ছে (মানালি) ।

Don’t tell my Mother – V Ladakh’12

21:11 অাজকের দিনটা অার মোটামুটি ছিল event-less, slow অার clumsy. সকালে মেন বাজারে গিয়ে একটা departmental shop থেকে কিছু snacks নিয়ে এলাম সামনের কিছুদিনের খোরাক হিসাবে । দুপুর থেকে evening পর্য্যন্ত মোটামুটি ঘরের মধ্যেই কাটিয়ে দিলাম ।