Month: January 2019

Can tell my Mother – II Ladakh’14

HPTDC’এর অফিসে পৌঁছে আমাদের ভারী ব্যাগগুলো রেখে আবার বেরিয়ে পড়লুম অদূরের রেস্টুরেন্টে, কিছু টিফিন করে নিতে। পাহাড়ি রাস্তায় গাড়িতে ওঠার আগে একটু পেট ভরা থাকা ভালো। দু’জনের জন্য স্যান্ডউইচ্‌ আর কোল্ড কফি অর্ডার করলাম। Wife একটু uneasy ফীল করায় ওর খাবারটা প্যাক করে নেয়া হল, এদিকে বাস ছাড়ার সময়ও এগিয়ে এল। আমরা রেস্টুরেন্ট ছেড়ে HPTDC’এর অফিসে পৌঁছতে ভদ্রলোক বললেন আপনারা তাড়াতাড়ি যান, বাস ছেড়ে দেবে তো! আবার মালপত্র নিয়ে মানালির রাস্তা ধরে ছুটলাম আমরা বাসস্ট্যান্ডের দিকে। হাতে ৫/১০ মিনিটের মত সময় ছিল। যাই হোক, মোটামুটি নির্ধারিত সময়ই বাস রওনা দিল, ১০’টায়। ছোটখাটো চার্টাড বাস যেগুলো পাহাড়ের বাঁকে ঘোরাতে আদর্শ, মানালির সবুজ পাহাড়ের পাদদেশ ধরে আমরা ক্রমশঃ এগিয়ে যেতে লাগলাম, আরো ওপরে। ছোটখাটো বসতি, দোকান-পাট, কোথাও কোথাও কঠিন রাস্তাঘাট ক্রমশঃ ফেলে আমাদের বাস এগিয়ে যেতে লাগল। আমরা বাঁদিকে, বাসের ঠিক মাঝ বরাবর দু’টো সীট নিয়েছিলাম। সামনের দিকে সীট নিলে আরো ভালো হত, সেটা পরে বুঝেছিলাম। বাসে মোটামুটি অর্ধেকের বেশী ভিড় ছিল, তারমধ্যে আবার বেশীরভাগ যাত্রীই বিদেশী। দম্পতি, পরিবার, এমনকি অ্যাডভেঞ্চারাস মা এবং পুত্র। পিছনের কিছু সীট ফাঁকা। বেশ কিছুটা দূরত্ব অন্তর বাস থামতে থামতে এগিয়ে চলল …

Can tell my Mother – I Ladakh’14

প্রথম লাদাখ্‌ সফর ২০১২‘এ। এরপর কেটে গেছে দুটো বছর, বয়ে গেছে বহু ঘটনার স্রোত। এরমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ, কিছু জীবন পাল্টানোর মত – বিবাহিত হয়েছি, বাবা চলে গেছেন চিরদিনের জন্য.. আর এরইমধ্যে হয়ে গেছে আমার দ্বিতীয় লাদাখ্‌ ভ্রমন। এবারে একা নয়, দোকা। এই দ্বিতীয় ভ্রমন হয় ২০১৪’এ। বিয়ের ঠিক দ্বিতীয় বছরে। বিয়ের পর বলা যায় এটাই আমাদের প্রথম বড় সফর। গতবারের মত এবারেও যাত্রার টাইম ঠিক হয়েছিল আগষ্টের মাঝামাঝি, যা শেষ হয়েছিল সেপ্টেম্বরের শুরুতে। এবারের অনুভূতিগুলো না বললেও চলে যথেষ্ট আলাদা ছিল, যথেষ্ট স্বতন্ত্র ছিল। ফিরে আসার পরেও যার রেশ ছিল বহুদিন পর্য্যন্ত আমাদের দুজ’নের মধ্যে। তবে এবারে আর সেভাবে কিছু লেখা হয়ে ওঠেনি গতবারের মত। একটা iPod সাথে ছিল বটে, যাতে আমাদের যাবতীয় যাত্রাপথ, দিনক্ষন ইত্যাদি উল্লেখ থাকত, মাঝেমধ্যে কিছু এটাসেটা বর্ণনাও উল্লিখিত হত, তবে সেভাবে ট্রাভেললগ্‌ বলে কিছু উল্লিখিত হয়ে ওঠেনি। কোন নোটবুকও ছিল না সাথে, বা কোন কিছু লেখার ইচ্ছাও ছিল না। এবারের পূর্ণ সময়টাই দিতে চেয়েছিলাম আমার অর্ধাঙ্গীনিকে, তার চোখ দিয়েই দেখতে চেয়েছিলাম এবারের লাদাখ্‌কে। কিন্তু এত কিছু ঘটনা, অনুভব – কোথাও বর্ণনা না করে যাওয়াতে (বন্ধু, আপনাদের সাথে শেয়ার করতে না …