Year: 2017

A Late Winter Travel to Ambika Kalna

বেরিয়েই পড়লাম অবশেষে। ইদানীং যাবত সোসাল মিডিয়ায় একটা নাম খুব উঠে আসছিল, আম্বিকা কালনা। কালনা নগরীর নাম তো শুনেছি, কিন্তু কখনও সেভাবে কৌতূহল বোধ করিনি। এটির সম্বন্ধে প্রথম শুনি ফেসবুকের ট্রাভেল গ্রুপ ‘বং ট্রাভেলারস’এ তে (https://goo.gl/oypQNn)। তারপর এদিক ওদিকে আরো কয়েকজনের কালনা দর্শনের কথা শুনি ফেসবুকের পেজে। একটা উইকএন্ড ট্রিপ করার ইচ্ছা ছিল, আর এরম একটা জায়গা শুধু টোপ ফেলার মত। খুব বেশী ঐতিহাসিক তথ্য না নিয়ে কেবল যেটুকু ঘোরার জন্য প্রয়োজন, সেটুকু নিয়েই বেরিয়ে পড়লাম। কলকাতা থেকে গাড়িতে ২.৩০ ঘন্টার দূরত্বে অবস্থিত কালনা বা অম্বিকা কালনা পূর্ব বর্ধমানের একটি উপনগরী যা অনেকের কাছে ‘মন্দির নগরী’ হিসাবেও পরিচিত, এবং যেটি একদিনের রাউন্ড ট্রিপের জন্য আদর্শ। বছর শীতের ঝাঁকুনির সাথে বড়দিনের আগের’ ছুটির মেজাজ নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম নগর কালনার উদ্দেশ্যে। রবিবারের ৭ টার সকাল, হালকা রোদ্দুরে শীতের মোড়ক তখনও কাটেনি, কিন্তু রাস্তায় তখনই যেন অনেক ভিড়। পরদিন বড়দিন, তাই অনেকেই হয়ত ছুটির সুযোগটা হারাতে চায় না। রাস্তায় বিভিন্ন সাইজের গাড়ির মধ্যে আমরাও ছুটে চললাম মাথা উঁচু করে। সাঁতরাগাছি ঘুরে দিল্লী রোড ধরে ডানকুনির আগে ডানদিকে বাঁক, স্টেট হাইওয়েতে পড়ার পর রাস্তা খারাপ হতে শুরু করল। বেশ …

লুকানো রত্‌ন

যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখো তাই পাইলে পাইতে পারো অমূল্য রত্‌ন। ছাই হয়ত ওড়ানোর প্রয়োজন নেই, তবে মানুষের ভিড় ঠেলা লোকালিটির বাইরে রত্‌ন বটেই। বেড়ে ওঠা হাঁসফাঁস করা শহরগুলোর বাইরে একটু একান্ত এবং স্বতন্ত্র জায়গা খুঁজে পাওয়া যেন আমাদের সকলেরই কাম্য। কে না চায় কোন একটা অজানা অথবা কম-জানা জায়গাকে খুঁজে পেতে, তার রঙ রূপ গন্ধ, সেখানের ব্যাঞ্জন, মানুষ এবং কালচার – এগুলোকে উঠিয়ে নিয়ে আসতে নিজেদের স্মৃতির পাতায়। কিন্তু এরম লোকানো রত্‌ন খোঁজবার হলেই আমরা একটু কিংকর্তব্যবিমূঢ হয়ে পড়ি, কোনদিকে খোঁজা কিভাবে খোঁজা এসব নিয়ে একটু দিশেহার অবস্থা এসে যায়; আর এর পরে সেফ্‌টি, সম্ভাব্যতা এগুলোও আছে। তবে (ছাইয়ের নিচে) রত্‌ন খোঁজার ব্যাপার এলে ভারতের ব্যাপ্তি নিয়ে কোন প্রশ্ন ওঠে না। এর বিশালতার মধ্যে যতই হারানো যায় ততই প্রতিক্ষনে কিছু নতুন জানার এবং দেখবার সুযোগ পাওয়া যায়। এখানে সেরমই কিছু রত্‌নের হদিস রইল। ভাসমান চার্চ (কর্ণাটক) পুরাতন ধবংসাবশেষের মধ্যে অনেকেরই একটা অগম্য টান থাকে। যত পুরাতন এবং দুর্গম হয় তা, ততই যেন আকর্ষনের বিষয় হয়ে ওঠে। আমাদের এই পরিত্যক্ত গথিক স্টাইলের চার্চ যা বেঙ্গালুরুর কিছুটা বাইরে অবস্থিত, সেখানে পৌঁছতে কিছুটা হাড়গোড় নাড়িয়েই পৌঁছতে হবে। …

A Heart Break and A New Love Story

২০০৯ এর শেষ, শীতের ঠান্ডার সাথে সম্পর্কের শীতলতাও আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে নিয়েছে। চলে গেছে বহু মুহূর্ত সময়ের সাথে চিরতরে। এক চোখ ফাটা হাহাকার শুধু রয়ে গেছে শূন্যতাকে সম্বল করে। জীবনের শেষ ১.৫/২ টি বছর হঠাৎই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছিল ঘটে চলা ঘটনার আকস্মিকতায়। ২০০৯ শেষ হতে হতে অনেক কিছুই ততক্ষনে বাস্তবের সামনে দাঁড়িয়ে গেছিল, আর তার মধ্যে এটাও ছিল স্বপ্নের মসৃণ গাঁথার দিন শেষ। হঠাৎই বন্ধু হারানোর যন্ত্রনা ভেতরটা খাঁখাঁ করছিল, কিন্তু কাউকে কিছু বলার ছিল না। কিছু কাছের বন্ধুরা শুধু জানত, সহানুভূতি বোধ করত, কিন্তু কারো সাথেই সেই জায়গাটা শেয়ার করার উপায় ছিল না যেটা শুধু আমাকেই নিভৃত্য অন্তরালে নিয়ে পুড়তে হত। শেষ সেদিনটার পরে কয়েক মাস কেটে গেছে। ধীরে ধীরে জীবনের ছন্দে আবার ফিরতে চেষ্টা করছি, কিন্তু গতি বলতে সেরম কিছু ছিল না। নিত্যদিনের নিয়ম মত অফিস যেতাম, কাজ করতাম, সন্ধ্যের ভিড় ঠেলে ঘরে ফিরতাম। আলাদা করে নিজের কোন অস্তিত্ব খুঁজে পেতাম না। কিছুটা জড় পদার্থের মতই হয়ে গেছিল, সবই ছিল, চলছিলও। এরমধ্যে আমার হাতে উঠে এসেছে আমার দ্বিতীয় ক্যামেরা D90। প্রথমটি আমারই এক কলিগ্‌কে দিয়ে আমার দ্বিতীয় ক্যামেরা হাতে তুলে নিয়েছিলাম। তা ছবি যে …

প্রথম ট্রেন জার্নি paper boat-এর ভাষায়

ইদানীংকালে পেপারবোট শুধু নিজেদের একটা স্বতন্ত্র জায়গাই তৈরী করেনি, নিজেদের সচিত্র পরিভাষায় আমাদের মনকেও ছুঁয়ে গেছে, নিয়ে গেছে আমাদের ছোটবেলাকার সেই সব দিনগুলোতে যা আমাদের আবার নতুন করে ভাবতে শেখায়, উল্টে দেখায় স্বৃতির পাতাগুলোকে। পেপারবোটের নতুন ফিল্ম শ্রদ্ধাস্বরূপ সেই সবথেকে পুরাতন, বৃহত্তর এবং ম্যাজেস্টিক ইন্সটিটিউশনের প্রতি, যা প্রথম আমাদেরকে শেখায় ভ্রমনের মজা জার্নিতে, আর গন্তব্য যেখানে গৌন।

বন্ধুরা, আমি শান্তনু কাঁড়ার, এই ট্রাভেল ব্লগের “বং”। পেশায় আমি একজন সফটওয়ার প্রফেশনাল, উৎসাহী ফোটোগ্রাফার ইচ্ছাতে, আর একজন ট্রাভেলার অন্তর থেকে। এমনিতে আমার না আছে কোন অভিজ্ঞতা ব্লগ লেখার না দক্ষতা গল্প বলবার। কিন্ত রাস্তার এমন অনেক অভিজ্ঞতা থেকে যায় যা ভুলতে মন চায় না আবার কাউকে বলে যেতেও ইচ্ছা করে। আমার কলম ধরে নেওয়া সেই কারনেই। আর যেহেতু অনভিজ্ঞ, ভুল ক্ষমা প্রার্থনীয়। যেরম বলে লোকেরা, নক্ষত্রেরা ভুল করে না, আমরা করি। আপনাদের প্রস্তাব ও পরামর্শের অপেক্ষা রইল। আমি আশা রাখব আমার এই সব অভিজ্ঞতা যা আমার পাথেয়, আপনাদেরও ভালো লাগবে এবং আপনাদের অভিজ্ঞতাও শেয়ার করবেন! আমার সাথে যোগাযোগের জন্যে আমাকে মেইল করতে পারেন এখানে। অথবা আমার ফেসবুক পেজ!