Himachal, Ladakh, Latest, Photologue
Leave a Comment

Don’t tell my Mother – V Ladakh’12

21:11

অাজকের দিনটা অার মোটামুটি ছিল event-less, slow অার clumsy. সকালে মেন বাজারে গিয়ে একটা departmental shop থেকে কিছু snacks নিয়ে এলাম সামনের কিছুদিনের খোরাক হিসাবে । দুপুর থেকে evening পর্য্যন্ত মোটামুটি ঘরের মধ্যেই কাটিয়ে দিলাম ।

পড়ন্ত evening -এর সময় বেরোলাম একটু হেঁটে অাসার জন্য । মেন বাজারের মূল entrance ছেড়ে একটা লম্বা ঢালু পথে হেঁটে গেলাম । হাঁটতে হাঁটতে অন্ধকার নেমে এল । ক্রমশঃ দোকানপাটের সংখ্যাও কমতে কমতে হারিয়ে গেল । ঢালু রাস্তার দুপাশে মাঝেমধ্যে কিছু হোটেল, গেস্ট হাউস শুধু চোখে পড়তে লাগল । কোথাও আর্মির ব্যারাকও । বুঝলাম এটা ওদের কোন একটা গ্রামের রাস্তায় নেমে পড়েছি । একটা সময় যখন গিয়ে থামলাম তখন বুঝলাম অনেকটই চলে এসেছি । লেহ্ শহরে ঢোকার প্রথম island-এ অামি এসে গেছি । ছোট হলেও, এই ছোট্ট খুঁজে পাওয়াতে পুলকিত হলাম । Island-এর ঠিক বাঁকেই একটা Maney ছিল (তিব্বতী মন্ত্র ঘুর্নি) । সেটাকে কয়েকবার ঘুরিয়ে খানিক্ষন বসে রইলাম । তারপর অন্ধকার রাস্তা ধরে ফিরে এলাম ।

মান  সিংহের ভাইয়াজি এর মধ্যে permits করিয়ে এনেছিলেন । ওঁনার কাছ থেকে পাওয়ার পরে কিছু xerox -ও করিয়ে নেয়া হল, কেননা ট্রাভেলিংয়ের সময় xerox -ই লাগে।

একটা বোনাস অনুযায়ী উঁনি নিজেই অামাকে Mac -এতে Wi-Fi -য়েও connect করে দিলেন । Its great!

GAP

08.25.2012

18:21

ক্লান্ত অবসন্ন হয়ে যখন রুমে ফেরা হয় তখন সত্যিই একাকীত্ব লাগে । হয়ত অারএকজন কেউ হলেও কথা বলে ক্লান্তিটাকে অনেকটা ছাড়িয়ে নেয়া যেত । কিন্তু anyway, এটাই irony, এটাকেই অামি বেছে নিয়েছিলাম । যদিও অামার সামনে অার কোন option -ও ছিল না ।

সকালের প্রথম প্রহরটা অাধাঘুমের মধ্যেই কাটলো । বারবার মোবাইলের সুইচ্ অন-অফ্ করে ঘড়ি দেখছিলাম । ৫ টা নাগাদ উঠে পড়লাম এবং পৌনে-ছটার সময় বেরিয়েও পড়লাম । এই সময়ের টাফ্ থিং এটাই ছিল যে লাইট জলছিল না (লেহ্ শহরে কখন যে কারেণ্ট যাবে তার কোন ঠিক নেই) । বাইরের অালোও তখনও ভালো করে ফোটে নি, সুতরাং সবকিছুই almost অন্ধকারের মধ্যেই সারতে হল । ‘সবকিছুই’ বলতে সকালের বাথরুম থেকে ড্রেস করা পর্য্যন্ত । তবু ভালো যে এখানে অামায় প্রপার ড্রেস করা অবস্থায় দেখবার জন্য কেউ নেই, তাই যাহোক চাপিয়ে নিয়ে বেরিয়ে পড়লেই হল ।

গাড়ি অাসল নির্দিষ্ট সময়ের ১৫ মিনিট পরে । Leh -এর মেন বাজারের কোন এক কোনায় এই Samsar Travels এজেন্সী, এখানেই গাড়ি অাসার কথা ছিল । শুরুতে যদিও ভদ্রলোক বলেছিলেন maximum ৭ জন (ড্রাইভারকে নিয়ে), কিন্তু অাদতে দেখা গেল সেখানে ৮ জন । পিছনে ৩, মাঝখানে ৩, সামনে ২ । এর সপক্ষে ভদ্রলোকের এক নির্ভেজাল সাফাই শুনতে হল, কিন্তু বোঝা গেল কতটা ডাহা মিথ্যে কথা বলে গেল, অার হয়ত এটাই ওদের প্রাকটিশ business -এর সময়ে ।

তো কোনরকমে ৮ জন একটা Xylo -তে টিপেটুপে ঢুকলাম । অাদপে সেরকম কিছু অসুবিধা না হলেও, অামি প্রমাদ গুনতে লাগলাম পাহাড়ী রাস্তা অাসার জন্য । যেখানে রাস্তা serpentine হয়ে যাবে এবং bumpy. অার irony is, অামাকে লাস্ট সীটে্ বসতে হল, যদিও shuffling -এর কথা বলা হল ।

Leh থেকে Pangong 50 k.m. অামাদেরকে বলা হল around 5 hrs. of journey, including breaks.

ছোট্ট কথায় বলতে গেলে, Pangong পর্য্যন্ত যাত্রাপথ অামাকে খালি যুঝতে হল । অামি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম, অাসার সময় অামাকে অন্তত সীট্ পাল্টাতেই হবে ।

GAP

Pangong Lake, এক কথায় অপূর্ব । অদূরবর্তী পাহাড়ের রাশি, তাদের রঙ, অার মাঝখানে সূুর্য্যের অালো পড়ে নীল চিকচিকে্ জল । একে ভাষায় বণর্না করার মতো ভাষা অামার নেই । হয়ত কোন কবি বা লেখক এর অারো ভালো বণর্না করতে পারবেন । অামি অভিভূত । In fact, কেউ একজনও অভিভূত হয়ে থাকতে পারবে না, সে কথা বলাই যায় না ।

এই নীল জল নাকি China -র সঙ্গে connected. Lake -এর ঠিক অপরপ্রান্তেই যে বিশাল পাহাড়ের রাশি, তার ওদিকেই নাকি China. অাজকাল Indian Army ওই পাহাড়ের ওপর রাস্তা বানাচ্ছে, China -র সঙ্গে বেড়ে ওঠা tension -এর দিকে লক্ষ্য রেখে । লোকালরা তো এটাও বলছে যে এই লেকের নিচ থেকে submarine -ও চলে, অবশ্যই China-র । কেউ জানেনা এ কত গভীর (লেক), কিন্তু এটা অবশ্যই এত গভীর যে submarine পর্য্যন্ত চলতে পারে । No one knows..

Lake টা বিশাল লম্বা । এটাতো অাবার লম্বা হতে হতে পাহাড়ের মধ্যে গিয়ে কোথাও মিশে গেছে । একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব অব্দি visitors -দের যাওয়ার অনুমতি অাছে । জায়গাটা পুরোটাই Indian Army দ্বারা নিয়ন্ত্রিত । তবে লোকালরাও অাছে । Tourists -দের জন্য জায়গায় জায়গায় তারা স্টল খুলে বসেছে । এখানে স্টল বলতে তাঁবু, সেটাই রেস্টুরেণ্টের মতো, অার হয়ত তাদের থাকার জায়গাও । পৃথিবীর এই সাইডেতে জীবন অনেক rough and tough.

ওখানেই দিনের লাঞ্চ সেরে অারো খানিকটা ঘোরার পর যখন ফেরার পথ ধরলাম, তখন 13:00 almost. রোদের তেজ তখন অনেকটাই কমে গেছে ভেসে যাওয়া মেঘ গুলোর জন্য । অাসার পথটাও ছিল tiring bumpy ride, অার সপির্ল পাহাড়ী বাঁকের ওঠানামা । এবারে অামি ড্রাইভারের পাশের সীটে বসেছিলাম ।

অক্সিজেনের অভাব অামরা সকলেই অনুভব করতে শুরু করলাম (একমাত্র বোধহয় ড্রাইভার বাদে, সে তার usual রূপেই অাছে) । অার এমনিতেও ফেরার জার্নি সবসময়েতেই tiring হয়, সকালের থেকে energy -ও অনেক খরচা হয়ে যায় ততক্ষনে । ফেরার পথে বিস্তৃত পাহাড়ের রাশি, মেষপালকদের দল, সবুজ প্রান্তর – এ সবই অভিভূত করে যাচ্ছিল যদিও ।

সন্ধ্যের অাগে যখন ঘরে ফিরলাম, তখন অার কিছুই করতে ইচ্ছা করছিল না ।


08.26.2012

11:05

অাজকে সকাল থেকে উঠে সেরকম কিছু করার ছিল না । অাজকের দিনটা মোটামুটি রেস্ট নেয়ার জন্য রেখে দিয়েছিলাম । সকালে মান সিংহের সাথে কথা বললাম এবং পরবর্তী কিছু প্লানের জন্য ঠিক করলাম ।

ডিপার্টমেণ্টাল স্টোর থেকে কিনে অানা snacks খেয়ে 09:15 নাগাদ বেরিয়ে পড়লাম । গন্তব্য Leh Palace.

Leh PalaceAncient Monuments’ হিসাবে Archeological Survey of India ’তে already লিপিবদ্ধ হয়ে অাছে, অার এই Leh Palace, মেন বাজারের অদূরেই স্থাপিত । এমনকি মেন বাজার থেকে Leh Palace -এর দুর্বার monument -কেও দেখা যায় পাহাড়ের ওপর ।

বাজারের অলিগলির মধ্যে দিয়ে, লোককে জিজ্ঞাসা করতে করতে, কিছুটা steep journey -এর সর্টকাটে Palace -এর মুখে পৌঁছালাম । অার এই shortcut খুবই ধূলোময়, পাথুরে এবং নোংরা ছিল । Palace -এর মেন রাস্তাও অাছে, কিন্তু সেটা অবশ্যই অামার পক্ষে time consuming হত ।

GAP

মাটির মতো বিশাল লেহ্ প্যালাস অামার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল । Palace -এর তোরন অামাকে অাকর্ষিত করল । এটা বড় কাঠের তৈরী অনেক পুরোন কন্সট্রাকসন ছিল ।

টিকিট কেটে (৫ টা.) যখন ভেতরে ঢুকলাম, তখন ভেতরটা শুধু অন্ধকার । জানলা, দরজার ফাঁকফোকর দিয়ে যেটুকু সূর্য্যের অালো এসে ঢুকছে, সেটুকুই শুধু । দেয়ালগুলো দেখলে বোঝা যাচ্ছিল recently repaired. মেঝে বলতে কিছুই নেই, শুধু ধূলো অার মাটি । ঢুকেই মনে হল কোন এক খণ্ডহারে অামি এসে গেছি, যদিও কিছুক্ষন পর বুঝতে পারলাম ভুল ভাবি নি ।

Leh Palace -এর mostly অার কিছুই নেই ruins ছাড়া । সরকার এখনও এটাকে দাঁড় করিয়ে রেখেছে কারন এটা একটা পুরাতত্ব interest এর মধ্যে পড়ে । অালো অন্ধকারে ঢাকা palace -এর অলিগলি সিঁড়ি ভেঙে যখন একদম ওপরে উঠলাম, তখন নিচের চারিপাশে ঘিরে থাকা Leh শহর যেন অামার চোখের সামনে উন্মুত্ত হয়ে গেল ।

সুদূরে গিয়ে থাকা পাহাড়ের রাশি, অার এপাশে Leh -এর লোকালিটি, শহরের মানচিত্র সব যের panorama -র মতো খুলে গেল অামার সামনে । কিছুক্ষন থাকার পর নিচে নামতে শুরু করলাম ।

ক্রমশঃ..

DSC_0114

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s