Himachal, Ladakh, Photologue, Solo
Comment 1

Don’t tell my Mother – I Ladakh’12

যখন office দিয়ে বেরচ্ছিলাম একটা unknown nervousness ঘিরে ধরিছল । যখন ট্যাক্সিতে Howrah Station -এর দিকেতে যাচ্ছিলাম তখনও বিশ্বাস করতে পারিছলাম না যে আমি এটা করছি । যখন Howrah Station -এর পুরানো প্লাটফর্মের ন’নম্বরের সামনে অপেক্ষা করিছলাম 12301 Howrah Rajdhani ঢোকার জন্য, তখনও বিশ্বাস করতে পারিছলাম না আমি সত্যি এটা করতে যাচ্ছি। 16:55 -এ ট্রেন ছাড়ার পর খানিকক্ষণ আমি বুঝতে সময় নিলাম আমি সত্যি এটা করছি! And it’s started! Outstanding!!

Well I confess, আমি বাড়িতে না বলে যাচ্ছি। Or, more precisely, সবটুকু না বলে যাচ্ছি। যাচ্ছি ঠিকই, তবে কারো সাথে নয় – একা – যেটা বাড়ির লোকেরা জানে দু’জন। (দু’জনেরি কথা ছিল, কিন্তু সে অারএক গল্প)

এটা একটা crazy অনুভূতি। নিজের কাছে নিজের কিছু জিনিষকে প্রমাণ করা, বিশ্বাস করার journey এটা। নিজের কিছু দৃষ্টিভঙ্গিকে বিচার করা অার প্রতিষ্ঠাপিত করার journey এটা। নিজেও যে পারি সেটাকে দেখার journey এটা। নিজের adventure এটা – Santanu Karar -এর adventure এটা ।

mom

GAP

“Maximum 130 কিমি speed -এ 17 ঘণ্টায় আপনাদের পৌঁছে দেয়া হবে।” ~ ট্রেনের স্পীকারে ভেসে অাসা এক মহিলার কণ্ঠস্বর, যাত্রা শুরু হল।

16:55 -এ ট্রেন চলা শুরু করেছিল। 17:25 নাগাদ প্রথম round of foods এলো। একটা পাতলা কার্ডবোডে মোড়া sandwich, একটা সিজ্ঞাড়া, দুটো Alpenlibe -এর সাইেজর চকোলেট, একটা ছোট সসের প্যাকেট অার একটা Frooti, ওহ্, তার আগে একটা করে mineral water -এর বোতল।

কিছুক্ষন বাদেতে এল চা/কফি – একটা করে কাপবোডের গ্লাস ধরিয়ে দিয়ে অার একটা করে ছোট কাগজের প্যাকেট, you can take  either tea or coffee, ভেতরে ছিল একটা কফির স্যাসে, দুটো sugar -এর স্যাসে, একটা গুঁড় দুধের স্যাসে এবং একটা Nescafe -এর ছোট স্যাসে। জলের জন্য দিয়ে গেছিল একটা করে গরম জলের ছোট থার্মোফ্লাস্ক যেটা দুজনের জন্য enough.

19:00 নাগাদ অাসল evening snacks. একটা ট্রেতে লাঠির মত সাইজের বিস্কুট (খাউনে পাটিঁরা অবশ্যই এর নাম জানবেন), একটা ছোট Amul butter, একটা black pepper -এর স্যাসে এবং একটা salt এর স্যাসে। অার তার সাথে অাসল একটা কাপবোডের কাপে অতীব সুন্দর গন্ধওলা soup – tomato soup – যেটার গন্ধ অনেক আগেই থেকেই পেয়েছিলাম অার ভাবছিলাম কখন আসবে। অামার পুরনো experience দিয়ে জানি যে এটি দেয়া হয় ;P

আমাদের বার্থটার পাশেই ছিল প্যান্ট্রীটা, তাই গন্ধও যেন আমাদের নাকেই প্রথম আসছিল, সেরকম খাবার হলেও আমাদের কাছেই প্রথম পৌঁচাচ্ছে! আমাদের বার্থ  B6 অার অামার seat No. 5.

20:10 -এ ডিনার দেয়া শুরু হয়, অার as usual (well, this time sadly) আমাদের থেকেই প্রথম শুরু করল। অাটটার সময় ডিনার করার মতন অভ্যেস বা ইচ্ছা কোনটাই আমার ছিল না। কিন্তু anyway আর কিছু করারও তো ছিল না। তাই তাড়াতাড়ি খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়ার তোড়জোড় করাই ভালো, কেননা সবাই মোটামুটি বোর হচ্ছে, বসে বসে ঢুলছে।

Non-veg থালি মোটামুটি ভালোই ছিল। Chicken, ডাল, peas-pulao, পরোটা, স্যালাড, চাটনি/অাচার, ফিসফ্রাই, অার সবার শেষে একটা করে টকদই – যা ‘যদি’ কিছু খারাপ কিছু খেয়ে digest করতে লাগে – হে হে।

And at the last but not least, which I apparently liked more – Ice Cream! অার এবারেতে এটা সত্যি ঠান্ডাও ছিল, এবং এর সঙ্গেই ইতি হল রাতের এই ফুড প্যারেড।

GAP

08.19.2012

10:40

দিন শুরু হল অত্যন্ত sick এবং lazy way তে। সারারাতের A/C-এর ঠাণ্ডায় সকাল পর্য্যন্ত ঠান্ডা লেগে গেছিল। ট্রেনের ব্ল্যাঙ্কেট কিছুটা রেহাই দিলেও A/C-এর রুথলেস ঠান্ডা আমাকে আঁকড়ে নিয়েছিলই। এতটাই অস্বস্তি ছিল যে 6:40-এর বেড টী’ও প্রত্যাখান করে দিয়েছিলাম। তারপর একটা সময় ধীরে ধীরে উঠে, একটু relief পাবার আশায় birth -এর বাইরে আসলাম, যেখানটায় A/C-র থাবা সেভাবে বসে নেই। 07:10/15 নাগাদ ব্রেকফাস্ট আসল, দুটো পাঁউরুটির পিস, একটা সসের স্যাসে, egg-fry (for non-vegetarians), small স্যাসে of butter and jelly.

১০ টার আগেই ট্রেন স্টেশনে ঢুকে গেছিল – at around 09:35. স্টেশনের ব্যাস্ততা সেইসময় ভালোই ছিল, যদিও Sunday-র বাজার ছিল। Pre-paid Taxi, Auto, cheap hotel-এর দালালরা সারা স্টেশন চত্বরে ঘোরাঘুরি করছিল।

বাইরে বেরিয়ে HPTDC -এর অফিস থেকে মানালী গামী এবং লেহ্‌ গামী বাস confirm করার পরে সিধান্ত নিলাম let’s waste some time. কাছাকাছিতেই ছিল বিখ্যাত যন্তর-মন্তর। স্টেশন থেকে ৩/৪ কিমি দূরত্বে এবং আমার মানালী গামী বাসস্টান্ডের ১.২ কিমি দূরত্বে।

অটোর কাছাকাছি গিয়ে একটু দর কষাকষি করলাম (যদিও আমি যে কত কাঁচা এই শিল্পে সেটা আমিই জানি), ৮০ টাকা বলছিল কেবলমাত্র এইটুকু দূরত্বের জন্য, আমি ৬০ বললাম (যদিও জানি এটা এমন কিছু bargain নয়), তো এরমধ্যে একজন রাজী হওয়াতে তার সাথে বেরিয়ে পড়লাম। যদিও সে গন্তব্যে পৌঁছে নাটক করতে শুরু করল যে আমি ৭০ বলেছিলাম। তার বদমাসী এতটাই বিরক্তিকর লাগল যে আমি কিছুতেই এক্সট্রা ১০ টাকা দিলাম না।

JantarMantar1

GAP

যন্তর-মন্তরে entry-fee ৫ টাকা – for Indians, for non-Indians Rs.100.00. এটা অামার প্রচণ্ড absurd লাগল । তুমি একটা comfortable difference রাখতে পারতে nationality fee বিভাজনের মধ্যে – নাকি একটা পাঁচ অার একটা whooping 100! ভিডিও ক্যামেরার ফী ২৫, স্টিল – ফ্রি ।

লাল বিষ্ময়ের মধ্যে বেশ কিছুক্ষন বসে রইলাম, একটা লাগোয়া ঘাসজমির ওপর । Weather খুব একটা comfortable ছিল না, যদিও রোদ ছিল না কিন্তু কিছুটা অাদ্রতা অবশ্যই ছিল ।

GAP

13:45

Sunday হবার জন্য বেশীরভাগ দোকানপাটই Janpath area -তে বন্ধ ছিল । যন্তর-মন্তর এবং HPTDC -এর বাসস্ট্যাণ্ড, দুটোই Janpath area -তে অাছে, অার এই জায়গাটা অনেকটা high social area -এর মতো, কিন্তু Delhi -র perspective -এ। Delhi -র perspective -এ বলতে ministerial colony -এরকম। Planned ways, trees, পরিচ্ছন্ন রাস্তাঘাট, কিন্তু ভিড়হীন (হয়তবা এটা Sunday হওয়ার জন্য), multistory buildings অার দিল্লীর একটা পরিচিত গন্ধ – যেটা যারা দিল্লীতে অাসেনি তাদেরকে বোঝানো যাবে না।

কিছু লম্বা লাইন দেয়া দোকানের সারি অাছে, কিন্তু mostly for high lives, তারমধ্যেও অাবার অধিকাংশই বন্ধ Sunday হবার জন্য। এরমধ্যেই Pizza-hut -এ লাঞ্চ সারলাম; এখানকার apple সরবত was awesome, priced on Rs.85.00.

GAP

15:45

লাঞ্চের পরেও হাতেতে দেখলাম ৫ ঘণ্টার মতো সময় রয়েছে । বাসের রিপোর্টিং টাইম ছিল 18:00. একজন অটোওলার সঙ্গে কথা বললাম, সে কাছাকছির মধ্যে সাজেস্ট করল India Gate, Indira Gandhi Museum, Nehru Museum etc. India Gate অামার অাগেই ঘোরা ছিল, তবে অামার main দরকার ছিল সময় kill করা, তো সেদিক থেকে অামার museum -টাই like-most choice মনে হল। অামি Indira Gandhi Museum choose করলাম।

Indira Gandhi Museum পর্য্যন্ত ড্রপ করার জন্য autoওয়ালা ৫০ টাকা চার্জ করল । কিছু পরেই আমরা Janpath এরিয়া হয়ে New Delhi -র famous administrative এরিয়ার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চললাম।

Indira Gandhi -র একসময়ের বসবাসের বাসস্থানটাকেই ওঁনার Museum বানিয়ে দেয়া হয়েছে, সুতরাং সেটাও administrative block -এর কোন একটা এরিয়ায় । প্রশস্ত কলোনীর রাস্তার দুপাশে ministers -দের বাড়ি (as allocated by the Indian Govt.), যার মধ্যে Prime Minister -ও অাছেন । একটা মোটামুটি ভালো checking -এর পরেই ঢুকতে পারলাম ।

Museum -এ ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে রাজীব গান্ধীরও দ্রষ্টব্য তুলে ধরা হয়েছে । যে জিনিষটা অামার সবথেকে বেশী ভালো লাগল, যেটা জানতাম না অামি রাজীব গান্ধীর সম্বন্ধে, সেটা হল he’s keen interest in photography. ওঁনার student বয়সকাল থেকেই photography -এর দিকেতে ঝোঁক ছিল । উনি নিজেই তুলতেন নিজেই প্রসেস করতেন । দ্রষ্টবেয় ওঁনার বেশ কয়েকটা ছবিও showcase করা ছিল । I must say he had an eye for photography and indeed he knew how to use it. এক কথায় প্রত্যেকটা ছবিই ছিল সুন্দর (of course ওখানে ভালোগুলোই showcase করা থাকবে, কিন্তু এটা বোঝার ব্যাপার যে উনি সত্যিই তুলতে পারতেন)।

ওঁনার দ্রষ্টবেয়র মধ্যে অার একটা নাড়া দেয়া জিনিষ যেটা ছিল সেটা হল ওঁনার জ্বলে যাওয়া পোশাকের কিছু টুকরো, দুটো অাধজ্বলা মোজা, অার একটা কালো হয়ে যাওয়া জুতো, যেগুলো উনি পড়েছিলেন ওঁনার assassination -এর সময়, they were outstanding..

GAP

18:40

It was bit humid here in Delhi. অামি যে কতবার sweat-bathed হয়েছি তার ঠিক নেই । পিঠেতে বিপুল পরিমানের ওজনের জন্য গরম আরো পর্য্যদুস্ত করে তুলেছিল।

18:20 নাগাদ Janpath এরিয়ার Chanderlok বিল্ডিংয়ের পেছনে HPTDC -এর স্ট্যান্ডে পৌঁছলাম । এটা যন্তর-মন্তরের থেকে ৫/১০ মিনিটের মতো হাঁটা পথ ।

এখানকার রাস্তা দেখে সত্যি অামার ঈর্ষা হচ্ছিল অামাদের কলকাতার রাস্তাকে বিচার করলে । জানি যদিও এটা ministry এলাকা, কিন্তু অামাদের তো ministry এলাকাতেও জ্যামজট, খারাপ রাস্তা থেকে রেহাই নেই । শুনেছিলাম Old Delhi খুবই বাজে, কিন্তু এখানে irony হচ্ছে যে অামাদের তো old new সবই বাজে । দিল্লীবাসীকে সত্যিই ঈর্ষা হচ্ছিল এর জন্য ।

GAP

21:30

Around 21:00, দিল্লী থেকে কিছুটা দূরে একটা হাইওয়ে সাইড ধাবায় বাস থামল – Masala Mantra. এটা অবশ্যই মানতে হবে HP Gov. have chosen a good restaurant to fit their image – পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন A/C রেস্টুরণ্ট একটা, তবে choice খুবই কম । Dinner -এর জন্য only 2 types of buffet – veg and non-veg. Without thinking twice I have ordered a veg buffet which cost me Rs.170.00 (!), non-veg যেখানে ছিল 225.00.

খাবার তবে ভালো ছিল, warm and tasty. Anyway, what else a traveler would want – we mostly were very happy.

GAP

08.20.2012

05:55

এটা মনে হচ্ছে অামিও অাস্তে অাস্তে চলন্ত গাড়িতে ঘুমোতে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি। যেটা অন্যদেরকে দেখলে অামি খুবই আশ্চর্য্য হতাম – কিরম উঠল অার সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়েও পড়ল গাড়ির এত নাড়াচড়া সত্বেও! কিন্তু গত ২/১ দিন ধরে দেখছি অামিও comparatively বেশীই ঘুমিয়েছি – তুলনা করলে অামার পুরনো ঘুমের দৈর্ঘ্যকে অামার অাগের ট্রাভেলিংয়ের সঙ্গে। জানি না এটা ঠিক কি – ক্লান্তি, একঘেয়েমি, সময়ের সাথে অভ্যেস, নাকি journey of luxury (i.e. A/C, good bed etc.)।

মাঝরাত্তিরে (বা রাত্তিরের কোন এক প্রহরে) অাধা অাধা ঘুমের মধ্যে কেবল বুঝছিলাম বাসটা এপাশ-ওপাশ করে ছুটে চলেছে। Mostly অন্ধকার হাইওয়ে, কোথাও কোথাও “প্রয়োজনীয়” লাইট, গাড়ির হর্ন, অার অন্ধকারের মধ্যে দিয়ে ছুটে চলা।

রাত্তিরের শেষ প্রহরে, যখন বাইরেটা ক্ষীণ ভাবে বোঝা যাচ্ছে, অাধো অন্ধকারের মধ্যে বুঝলাম, রাস্তা ভিজে – বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে, অার অামাদের গাড়িটা মুহূর্মুহু হার্ড টার্ন নিচ্ছে। বুঝলাম পাহাড়ে এসে গেছে। গাড়ির ভিজে কাঁচে চোখ রেখে বাইরেটা ঠাহর করবার চেষ্টা করলাম – হ্যাঁ; গাড়িটা পাহাড়ের usual বাঁকাচোরা রাস্তা দিয়ে ছুটে চলেছে। রাস্তা তখনও অন্ধকার, কেবলমাত্র চলমান গাড়ির হেডলাইটের অালোতে রাস্তাটা চকচক্‌ করছে, বৃষ্টির জলে। চোখে তখনও ঘুম ।

কিছুক্ষনের মধ্যে গাড়িটা থেমে গেল । একটু সময় লাগল বুঝতে । গাড়ির লোকজন কি বলে মনে হল নামতে শুরু করল । অামাদের বাসেতে এবার journey করছে একটা family party যারা almost হাফ্ বাসই বুক করে নিয়েছে, তার মধ্যে বাচ্চারাও অাছে, মনে হচ্ছিল দক্ষিনের ।

কিছুক্ষনের মধ্যে বুঝলাম its a halt for half an/hour. রাস্তা এখানেও অতটা প্রশস্ত নয়, কিন্তু একটা বাঁক একটু চওড়া হওয়ায় চলতি বাসগুলো রাস্তার বাঁকেতে একটু ধার করে স্ট্যাণ্ড করেছে । বাঁকেতেই পাহাড়ের গায়ে usual type -এর একটা হোটেল । অামি একটা গরম কফি নিলাম (২৫ টা.) । জিজ্ঞাসা করলাম, জায়গার নাম District Pandugh (or something the guy named it).

একটু হেঁটে গেলাম ভেতরে । কিছুটা হেঁটে ঢুকতেই একটা বারান্দায় এসে উপস্থিত হলাম । কুয়াশায় খানিক্ষন বুঝতে অসুবিধা হল, কিছুক্ষন স্থিতি হবার পরেই বুঝলাম, অার একটা অাওয়াজ – awesome!!!

অামি দাঁড়িয়েছিলাম এক বিশাল পাহাড় শৃঙ্খলার সামনে । অামার অার পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে কেবল বয়ে যাচ্ছিল Beas নদী, অনেক নিচ দিয়ে । কিন্তু যেটা অামার হাঁ করিয়ে দিয়েছিল সেটা হল কোহরা । সকালের কুয়াশায় পাহাড়ের চারিদিকটা এমনভাবে ঢেকে ছিল, যে দৃশ্যত awesome. যেটা ভাষায় বর্ণনা করা অামার মতো ভাষাহীনের সীমার মধ্যে পড়ে না । অামি কেবল পলক ফেলতে পারলাম না..

ক্রমশঃ..
GAP

imagine

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s